শনিবার   ২৪ অক্টোবর ২০২০   কার্তিক ৯ ১৪২৭   ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

প্রবাস খবর
সর্বশেষ:
আপনি কি আপনার প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখতে চান? লেখা [email protected] এ পাঠাতে পারেন।
৩৫

সিঙ্গাপুরে ফোনে পর্ণ ভিডিও রাখার দায়ে বাংলাদেশির কারাদণ্ড

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর ২০২০  

দোষ স্বীকার করায় শিশু নির্যাতন বা পর্ন আইনে কোনো মামলা দায়ের হয়নি।

দোষ স্বীকার করায় শিশু নির্যাতন বা পর্ন আইনে কোনো মামলা দায়ের হয়নি।

সিঙ্গাপুরে প্রায় ১ হাজার ৩৭৩টি অশ্লীল ভিডিও রাখার দায়ে জাহিদুল (৩৫) নামে বাংলাদেশি এক নির্মাণ শ্রমিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতে তোলা হলে তাকে জেলে পাঠান বিচারক। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, শিশু দ্বারা অভিনীত পর্ন সিনেমা ও কিছু ভিডিও নিজের সংরক্ষণে রেখেছিলেন তিনি, যা শিশু নির্যাতনের উপাদান ও দেশের প্রতি সাংঘর্ষিক।

সিঙ্গাপুরের জাতীয় পত্রিকা দ্য নিউ পেপারসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাহিদুলের বিরুদ্ধে দেশটির সিনেমা আইনের অধীনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তা ছাড়া দোষ স্বীকার করায় শিশু নির্যাতন বা পর্ন আইনে কোনো মামলা দায়ের হয়নি। তা ছাড়া, তিনি যে ভিডিওগুলো সংরক্ষণে রেখেছিলেন, তা নিজ দেশের বা সিঙ্গাপুরের নয়। তাকে ছয় মাসের জেল দিয়েছেন বিচারক।

সিঙ্গাপুর পুলিশ জানিয়েছে, গত ২২ জুন ইন্টারপোল থেকে তারা তথ্য পেয়েছিল, জাহিদুল দুটি শিশুর অশ্লীল ভিডিও শেয়ার করেছেন। গত ৩০ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তার দুটি মোবাইলে ১ হাজার ৩৭৩টি অশ্লীল ভিডিও পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১ হাজার ২৯০টি পর্ন সিনেমা। ভিডিওগুলোর মধ্যে ৮৩টি ক্লিপ ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুর।

গতকাল বৃহস্পতিবার দ্য নিউ পেপারসকে এ মামলার বিচারক ওং হিয়ান সান জানান, জাহিদুল প্রাথমিকভাবে তার ওপর আরোপিত সব দোষ অস্বীকার করে। প্রসিকিউশন তাকে এক বছরের জন্য কারাগারে রাখার কথা বললে তিনি ভেঙে পড়েন। তাকে বলা হয়, যদি দোষ স্বীকার করেন, তাহলে তার সাজা কমানো হবে। আরোপিত অভিযোগ অস্বীকার করলে তার সাজা মওকুফের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

বিচারক ওং হিয়ান সান বলেন, ‘আমাদের দেওয়া শর্তের ওপর বিশ্বাস রেখে বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিক জাহিদুল তার সব দোষ স্বীকার করেন। পরে আদালতে সাজা মওকুফের আবেদন করেন। দেশে পরিবারকে টাকা পাঠাতে পারছেন না বলেও তিনি জানান। তার সামগ্রিক দিক বিবেচনা করে মাত্র ছয় মাসের সাজা দেওয়া হয়। এতে তার সিঙ্গপুরে কাজের অনুমতি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। তাকে ছয় মাস পর থেকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’

প্রবাসখবর.কম/এস 

প্রবাস খবর
এই বিভাগের আরো খবর