শুক্রবার   ১৮ জুন ২০২১   আষাঢ় ৫ ১৪২৮   ০৮ জ্বিলকদ ১৪৪২

প্রবাস খবর
সর্বশেষ:
আপনি কি আপনার প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখতে চান? লেখা [email protected] এ পাঠাতে পারেন।
৯৫

সিঙ্গাপুরে আটকেপড়া মালয়েশিয়া প্রবাসী পরিবারকে দেশে প্রেরণ

প্রকাশিত: ৫ জুন ২০২১  

করোনার কারণে মালয়েশিয়ার সঙ্গে ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে অনেকদিন। এছাড়া সম্প্রতি বাংলাদেশ সিভিল অ্যাভিয়েশনের এক নোটিশে মালয়েশিয়াসহ ১১টি দেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়া হয়।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ায় আটকেপড়া প্রবাসী বাংলাদেশিরা পড়েছেন বিপাকে। ফ্লাইট বন্ধের আগে অনেকেই বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের টিকেট করে রেখেছিলেন দেশে ফিরতে।
তাদেরেই একজন সাব্বির আহমেদ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় ব্যবসা করেন। কিন্তু করোনা সংক্রমণ রোধে মালয়েশিয়া সরকার মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এমসিও) এবং স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (এসওপি) জারি করেছে।
এমন পরিস্থিতিতে ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব না হওয়ায় ব্যবসা গুটিয়ে নেন তিনি। এরপ দেশে ফেরার প্রস্তুতি নেন। এমন সময় আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ। বিপাকে পড়েন সাব্বির। কোনো এয়ারলাইন্সেই ৪ জুনের আগের টিকেট পাননি তিনি। এদিকে ৩ জুন পর্যন্ত ছিল তার ভিসার মেয়াদ।
শেষমেষ সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের টিকিট করেন ৩ জুনের। উদ্দেশ্য সিঙ্গাপুর হয়ে দেশে ফিরবেন সাব্বির। ৩ জুন মালয়েশিয়া সময় রাত ৮টা ৫০ মিনিটের ফ্লাইটে যান সিঙ্গাপুর।
৩২ ঘণ্টার ট্রানজিট শেষে পরদিন ৪ জুন সিঙ্গাপুর সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটে ফ্লাইট। বিমানে ওঠার আগে বোর্ডিং পাস নেয়ার সময় কর্তৃপক্ষ পাস দিতে অপারগতা জানায়। ট্রানজিট ফ্লাইটে হাইকমিশনের চিঠি নেই। বিমানবন্দরে অপেক্ষমান পরিবারের ৪ সদস্যকে নিয়ে বিপাকে পড়েন সাব্বির।
এরপর মালয়েশিয়ায় থাকা তার এক বন্ধুর মাধ্যমে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের কন্স্যুলার সেকশনের কাউন্সিলর জি এম রাসেল রানার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি হাইকমিশনার মো. গোলাম সারওয়ারের সঙ্গে বিষয়টি আলোচনা করেন এবং সমাধানের চেষ্টা করেন।
গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশে ছুটির দিন হওয়ার পরও হাইকমিশনারের অনুমতি সাপেক্ষে সাব্বিরের পরিবারের ৫ সদস্যের নামে ছাড়পত্র ইস্যু করেন রাসেল রানা।
এর মধ্যে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ কাউন্সিলর রাসেল রানার সঙ্গে যোগাযোগ করে। হাইকমিশনের এমন সহায়তাকে স্বাগত জানায় এবং প্রশংসা করে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।
এরপর পরিবার নিয়ে দেশে ফেরেন সাব্বির। তারা এখন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।
এমন পরিস্থিতিতে হাইকমিশনের সহায়তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন মালয়েশিয়ায় বসবারত প্রবাসীরা। তারা বলছেন, হাইকমিশন প্রবাসীদের কল্যাণে সর্বক্ষেত্রে কাজ করবে এটাই প্রবাসীদের প্রত্যাশা।

প্রবাসখবর.কম/বি

প্রবাস খবর
এই বিভাগের আরো খবর