শুক্রবার   ১৮ জুন ২০২১   আষাঢ় ৫ ১৪২৮   ০৮ জ্বিলকদ ১৪৪২

প্রবাস খবর
সর্বশেষ:
আপনি কি আপনার প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখতে চান? লেখা [email protected] এ পাঠাতে পারেন।
৮০

লকডাউন চলাকালীন সময়ে মালয়েশিয়ায় গ্রেফতার অভিযান বন্ধে আবেদন

প্রকাশিত: ১০ জুন ২০২১  

মালয়েশিয়াজুড়ে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ হু হু করে বৃদ্ধি পাচ্ছে । এর মোকাবিলায় জনগণের চলাচলে দুই সপ্তাহের জন্য কঠোরতা (লকডাউন) আরোপ করেছে সরকার যা ১৪ জুন শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে এ ঘোষণার পর গতমাসের ২৯ তারিখ শনিবার দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হামজা জয়নুদিন অপর এক ঘোষণায় বলেছিলেন, লকডাউন চলাকালীন সময়ে অনিবন্ধিত অভিবাসীদের আটকের জন্য অভিযান পরিচালনা করবে সরকার।
জানা যায়, ঘোষণার পর থেকে সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসন বিভাগসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো বেশ তৎপর হয়েছে এবং সারা দেশে অভিযান অব্যহত রেখেছে। তবে অবৈধ অভিবাসীদের আটক করা কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টার জন্য ক্ষতিকারক হবে বলে মনে করে দেশটির অন্তত ৮৩ টি বেসরকারি সংস্থা।
মঙ্গলবার (৮ জুন) ৭১ জন ব্যক্তি এবং অন্তত ৮৩ টি বেসরকারি সংস্থা একটি আবেদনে করেছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী তান শ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন বরাবর তাদের স্বাক্ষরিত আবেদনে, বিনা শর্তে অভিবাসীদের গ্রেপ্তারের জন্য সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করা এবং পরিবর্তে কোভিড-১৯ এর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে মনোনিবেশ করার জন্য অনুরোধ করেছেন।
গত ২৯ মে এবং ৩ জুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি হামজাহ জয়নুদিন জারি করা প্রেস বিবৃতিতে অনেকের মধ্যে এই ধারণা তৈরি করেছিল যে সরকার স্বল্প সময়ের মধ্যে অভিবাসীদের (অবৈধ অভিবাসীদের) ব্যাপক পরিমাণে গ্রেপ্তার করার একটি পরিকল্পনা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আমরা, বিভিন্ন সংস্থা থেকে আবেদনকারীরা মনে করি অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেপ্তার করে আটকে রাখা মহামারী লড়াইয়ের প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলবে।
এই জাতীয় অভিযান বিদেশী কর্মীদের ভয় দেখিয়ে দেবে তারা নথিভুক্ত বা অনিবন্ধিত যাই হোক। আসলে, এই জাতীয় পদক্ষেপের ফলে তারা সরকারি প্রতিনিধিদের এড়াবে এবং আত্মগোপনে যেতে পারে।
আবেদনকারীদের মতে, এই মুহুর্তে অনিবন্ধিত অভিবাসীদের গ্রেপ্তার এবং আটকে রাখার ফলে অভিবাসন আটক কেন্দ্রগুলিতে কোভিড-১৯ এর নতুন ক্লাস্টার হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
তারা যোগ করে যে, এটি অনিবন্ধিত অভিবাসীদের মধ্যে কোভিড-১৯ এর বিস্তার বাড়িয়ে তুলবে সাথে অভিবাসন কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য, আদালতের কর্মীদের (যারা রিমান্ড নিয়ন্ত্রণে জড়িত) এবং তাদের পরিবারের সদস্যদেরও সংক্রমিত করবে।

প্রবাসখবর.কম/বি

প্রবাস খবর
এই বিভাগের আরো খবর