সোমবার   ১২ এপ্রিল ২০২১   চৈত্র ২৯ ১৪২৭   ২৯ শা'বান ১৪৪২

প্রবাস খবর
সর্বশেষ:
আপনি কি আপনার প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখতে চান? লেখা [email protected] এ পাঠাতে পারেন।
৫২

মালয়েশিয়ায় চলাচলে আবারও কড়াকড়ি নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত: ৩১ মার্চ ২০২১  

মালয়েশিয়ায় কন্ডিশনাল মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার ঘোষণা করা হয়েছিল। যা ১৯ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে মালয়েশিয়ায় করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আবারও দুই সপ্তাহের জন্য কন্ডিশনাল মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (সিএমসিও) চলাচলে নিষেধাজ্ঞার সময় বাড়ানো হয়েছে।
জানা গেছে, সংক্রমণ রোধে শর্তসাপেক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ অনুযায়ী আগামী ১ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশটির সেলাঙ্গর, জহুর, পিনেং, কেলান্তান রাজ্য এবং রাজধানী কুয়ালালামপুরে কন্ডিশনাল মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (সিএমসিও) ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ার সারাওয়াক প্রদেশে ৩০ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত কন্ডিশনাল মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডারের আওতায় থাকবে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাতুক সেরি ইসমাইল সাবরি বিন ইয়াকুব কোভিড-১৯-এর নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ায় করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা কমলেও সেলাঙ্গর ও কুয়ালালামপুরের বেশিরভাগ এলাকাগুলোতে এখনো রেড জোন রয়েছে। সেই সঙ্গে এ এলাকাগুলোতে সংক্রামণ বাড়তে থাকায় কন্ডিশনাল এমসিও বিধিনিষেধ বাড়ানো হয়েছে। এ সময়ে সরকার ঘোষিত অন্যান্য বিধিনিষেধ আগের মতো থাকবে।
একই সময়ে পারলিস, পুত্রাজায়া, কেদাহ, পেরাক, মেলাকা, নেগারি সেম্বিলান, তেরেঙ্গানু, সাবাহ ও লাবুয়ান রাজ্যগুলোতে কন্ডিশনাল মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার শিথিল করে রিকভারি মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (আরএমসিও) ঘোষণা করা হয়েছে, যা আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বহাল থাকবে।
এছাড়া জন সাধারণের জন্য আন্তঃজেলাগুলোতে ভ্রমণের অনুমতি থাকলেও আন্তঃরাজ্য ভ্রমণে এখনো আগের মতোই বিধিনিষেধ রয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুমতিক্রমে বিশেষ কোনো কাজে আন্তঃরাজ্যগুলোতে ভ্রমণ করা যাবে।
অন্যদিকে সেলাঙ্গর এবং কুয়ালালামপুর একই জোনে থাকায় কোনো ধরনের অনুমতিপত্র ছাড়াই ভ্রমণ করা যাবে।
এদিকে দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৩৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের।  সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৪৪ হাজার ১৮ জন। এখন পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ১ হাজার ২৬৫ জন এবং সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন ৩ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৪ জন।

প্রবাসখবর.কম/বি

প্রবাস খবর
এই বিভাগের আরো খবর