শুক্রবার   ০১ জুলাই ২০২২   আষাঢ় ১৭ ১৪২৯   ০২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

প্রবাস খবর
সর্বশেষ:
আপনি কি আপনার প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখতে চান? লেখা [email protected] এ পাঠাতে পারেন।
৯৬

বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

প্রকাশিত: ২৭ মার্চ ২০২২  

গতকাল শনিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২২ উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাস একটি আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।
দূতাবাস প্রাঙ্গণে এ আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. গওহর রিজভী।
করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে এতে জার্মানিতে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ, দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও অংশ নিয়েছেন।
জানা গেছে, সকালে অনুষ্ঠানের শুরুতেই বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে দূতাবাস কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রবাসী বাংলাদশিদের উপস্থিতিতে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর জাতির পিতা ও জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে।
আলোচনার শুরুতেই মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২২ উপলক্ষ্যে প্রেরিত জাতীয় নেতৃবৃন্দের বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্যায়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস ও স্বাধীনতার জন্য জাতির পিতার আদর্শিক, রাজনৈতিক ভূমিকা বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে পরিচালিত মুক্তির সংগ্রাম, অর্জিত স্বাধীনতা ও জাতীয় ত্যাগ এবং বাংলাদেশের অসামান্য অর্জন তুলে ধরা হয়েছে।
আলোচকরা বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক সূচকে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অর্জনের ভূয়সী প্রশংসা করেন ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন। চমৎকার এই অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য দূতাবাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন জার্মানিতে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ।
প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. গওহর রিজভী তার বক্তব্যে শোষিতের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক ও রাজনৈতিক অবদান তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, এনডিসি তার বক্তব্যের মাধ্যমে গত ৫১ বছরে বাংলাদেশের অর্জন এবং বর্তমান সরকারের গৃহীত বিবিধ উন্নয়ন কর্মসূচির ফলে বাংলাদেশ কীভাবে আজ ‘উন্নয়ন বিস্ময়’ হিসেবে বিশ্ব দরবারে পরিচিতি লাভ করেছে, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব সহকারে আলোকপাত করেন।
তিনি তার আলোচনায় আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও নেতৃত্বের গুণাবলী ধারণ করে তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বলিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ কূটনীতি, অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ইত্যাদির মাধ্যমে বাংলাদেশের মর্যাদাকে অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

প্রবাসখবর.কম/বি

প্রবাস খবর
এই বিভাগের আরো খবর