শনিবার   ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১   ফাল্গুন ১৫ ১৪২৭   ১৫ রজব ১৪৪২

প্রবাস খবর
সর্বশেষ:
আপনি কি আপনার প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখতে চান? লেখা [email protected] এ পাঠাতে পারেন।
১৩০

প্রবাসীদের সঙ্গে ভদ্র ব্যবহার শেখাতে বিমানবন্দরে প্রশিক্ষণ

প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারি ২০২১  

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি কর্মী-স্টাফদের প্রবাসীদের সঙ্গে ভদ্র ব্যবহার (শোভন আচরণ) শেখাতে প্রশিক্ষণের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
এক বছরেরও বেশি সময় পার হলেও সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। সবেমাত্র বিমানবন্দরে দায়িত্বরত সংস্থাগুলোকে নিজ নিজ দফতরের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিতে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রণালয়বিষয়ক স্টিয়ারিং কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধে ও বিদেশ গমনে দালালদের প্রভাব কমাতে বেশকিছু নির্দেশনা দেন তিনি।
প্রথম নির্দেশনাই ছিল-বিমানবন্দরে কর্মরত সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কর্মী এবং স্টাফদের অভিবাসী কর্মী ব্যবস্থাপনা ও তাদের প্রতি শোভন আচরণের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণে তৎক্ষণাৎ কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দীর্ঘ ১৬ মাস পর ৪ জানুয়ারি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দফতরগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক), ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোসহ (বিএমইটি) আরও বেশকিছু সংস্থাকে চিঠি দিয়ে ৩ দিনব্যাপী ‘বিশেষ’ প্রশিক্ষণের আয়োজন করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে প্রতি মাসে প্রশিক্ষণের হালনাগাদ তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে।
এদিকে চিঠি পাঠানো একাধিক দপ্তরে যোগাযোগ করে জানা গেছে, এর আগে প্রবাসী মন্ত্রণালয় থেকে কর্মীদের প্রশিক্ষণ-সংক্রান্ত কোনো চিঠি দেওয়া হয়নি। এবারই প্রথম এ ধরনের চিঠি দেওয়া হয়েছে।
তাছাড়া শোভন আচরণ শেখাতে কী ধরনের প্রশিক্ষণ দিতে হবে বা প্রশিক্ষণ মডিউল কেমন হবে তার বিস্তারিত কিছুই জানানো হয়নি। প্রবাসী কল্যাণ সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীনকে ফোন করে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরে এসএমএস করে জানতে চাইলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি।
অবশ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ অনুবিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত একাধিক কর্মকর্তা জানান, প্রথম স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে কার্যত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের সচিব অভ্যন্তরীণ কর্মকর্তাদের নিয়ে এক বৈঠকে স্টিয়ারিং কমিটির নির্দেশনা বাস্তবায়নে অনুবিভাগগুলোর দায়িত্ব পুনঃবণ্টন করে দেন। প্রশিক্ষণ অনুবিভাগকে প্রশিক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়। আগে এ দায়িত্ব ছিল কল্যাণ শাখার। প্রশিক্ষণ শাখা দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই সব দপ্তর ও মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

প্রবাসখবর.কম/বি
 

প্রবাস খবর
এই বিভাগের আরো খবর