শুক্রবার   ০১ জুলাই ২০২২   আষাঢ় ১৭ ১৪২৯   ০২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

প্রবাস খবর
সর্বশেষ:
আপনি কি আপনার প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখতে চান? লেখা [email protected] এ পাঠাতে পারেন।
৫৮

নেপালের প্রাইভেট এয়ারলাইনের একটি যাত্রীবাহী বিমান নিখোঁজ

প্রকাশিত: ২৯ মে ২০২২  

আজ রোববার (২৯ মে) নেপালের প্রাইভেট এয়ারলাইনের একটি যাত্রীবাহী বিমান নিখোঁজ হয়েছে। কাঠমান্ডু থেকে ২০০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে পর্যটন শহর পোখারা থেকে তারা এয়ার ৯ এনএইটি জোড়া ইঞ্জিনের বিমানটি জমসনের দিকে যাচ্ছিল। রাজধানী থেকে জমসন ৮০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে।
তারা এয়ারলাইনের কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, ২২ যাত্রী নিয়ে রোববার (২৯ মে) বিমানটি নিখোঁজ হয়।
স্থানীয় সময় ৯টা ৫৫ মিনিটে বিমানটি পুরোপুরি যোগাযোগবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। প্রধান জেলা কর্মকর্তা নেত্র প্রসাদ শর্মা বলেন, মুস্তাগ জেলায় জমসনের আকাশে বিমানটি সবশেষ দেখা গেছে। এরপর সেটি মাউন্ট দৌলাগিরির দিকে মোড় নেয়। তখন থেকেই এটি যোগাযোগের বাইরে চলে যায়।
এতে যাত্রীদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা নিয়েও কোনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। বিমানটিতে চার ভারতীয় ও তিন জাপানি নাগরিক ছিলেন। বাকিরা সবাই নেপালি।
ক্রুসহ ২২ যাত্রী নিয়ে এটি আকাশে উড়াল দিয়েছিল। পুলিশ কর্মকর্তাদের সন্দেহ, বিমানটি পাহাড়ি মুস্তাগ জেলার লেটিতে তিতি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে। হিমালয়ের পঞ্চম বৃহৎ শহর মুস্তাগ। মুক্তিনাথ মন্দিরের জন্য এখানে প্রচুর তীর্থযাত্রী আসেন।
স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা রাম কুমার দানি বলেন, ‘তিতির বাসিন্দারা আমাদের জানিয়েছেন যে তারা একটি অস্বাভাবিক আওয়াজ শুনেছেন। মনে হচ্ছে, সেখানে বড় কিছুর আঘাত লেগেছে। এতে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে ধারণা করছি।’
নিখোঁজ বিমানটির সন্ধানে মুস্তাগ ও পোখারা থেকে দুটি প্রাইভেট হেলিকপ্টার মোতায়েন করেছে নেপাল সরকার। অনুসন্ধান চালাতে নেপালের সামরিক বিমানও প্রস্তুত আছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ফাদিন্দ্র মনি পোখরাল এমন তথ্য দিয়েছেন।
নেপালের সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট নেটওয়ার্কের জন্য বিখ্যাত তারা এয়ারলাইন। এটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, সুদূর বিচ্ছিন্ন অঞ্চলে তাদের মতো করে ঝুঁকি নিয়ে আর কোনো কোম্পানি ফ্লাইট পরিচালনা করে না। এমনটি দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে খাদ্যশস্য, ওষুধ, ত্রাণসামগ্রী ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনার দাবিও করেছে তারা।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় পর্বতশৃঙ্গের দেশ নেপালের বিস্তৃত অভ্যন্তরীণ বিমান নেটওয়ার্কে প্রায়েই দুর্ঘটনা ঘটে। ঝঞ্ঝাপূর্ণ আবহাওয়া ও বিপজ্জনক পাহাড়ি অঞ্চলে ফ্লাইট পরিচালনার কারণে হরহামেশাই দেশটি থেকে বিমানবিধ্বস্তের ঘটনার খবর আসে।
এর আগে ২০১৬ সালে পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা মিগদিতে তারা এয়ারলাইনের বিমান দুর্ঘটনায় ২৩ যাত্রী নিহত হন।

প্রবাসখবর.কম/বি

প্রবাস খবর
এই বিভাগের আরো খবর