রোববার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১   আশ্বিন ১১ ১৪২৮   ১৮ সফর ১৪৪৩

প্রবাস খবর
সর্বশেষ:
আপনি কি আপনার প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখতে চান? লেখা [email protected] এ পাঠাতে পারেন।
৩৯

ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ইতালির পর্যটন খাত

প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১  

করোনার প্রভাবে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পর্যটন খাত। কিন্তু ২০২১ সালের গ্রীষ্মে ইতালিতে রেকর্ডসংখ্যক পর্যটক এসেছে। ইতালির পর্যটন করপোরেশনের রিপোর্ট অনুসারে, জুলাই ও আগস্ট মাসে দেশটিতে প্রায় তিন কোটি পর্যটক এসেছেন। এর মধ্যে দুই কোটি ৩৪ লাখ স্থানীয়, বাকিরা বিদেশি।
এদিকে মহামারির প্রথম ধাক্কায়, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ইতালি। দেশটিতে প্রতি বছর গড়ে প্রায় সাড়ে ছয় কোটি পর্যটক ভ্রমণ করলেও করোনার কারণে ২০২০ সালে ইতালির পর্যটন খাতে ক্ষতির পরিমাণ ১২০ বিলিয়ন ইউরো। তবে আশার কথা হলো ২০২১ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে, ইতালিতে পর্যটকের আগমন ঘটেছে প্রায় ৩ কোটি, যা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বলে জানান ইতালির পর্যটন ও ব্যবসার গবেষণা প্রতিষ্ঠান "CNA"।
অন্যদিকে ইতলিতে আসা গ্রীষ্মকালীন পর্যটকদের মূল আকর্ষণ ছিল সমুদ্র তীরবর্তী শহরগুলো এবং সমুদ্রসৈকত। সবচেয়ে বেশি পর্যটক এসেছেন ভেনিসে, যা দেখে অবাক হয়েছেন ভিন্ন প্রদেশের প্রবাসী বাংলাদেশি পর্যটকও।
এছাড়া গবেষণায় দেখা যায়, প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ দেশি পর্যটকের মধ্যে দেড় কোটি হোটেলে ছিলেন এবং ৮০ লাখ পর্যটক ছিলেন বিভিন্ন ক্যাম্প ও অস্থায়ী ভাড়া বাসায়। এর বাইরে প্রায় ৬০ লাখেরও বেশি ছিল বিদেশি পর্যটক।
যদিও এর আগে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের কারণে গত ২মে থেকে বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সব ধরনের বিমান যোগাযোগ স্থগিত করে ইতালি।
সবশেষ নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী, ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সময় নির্ধারিত ছিল। শনিবার এক বৈঠকে শর্তসাপেক্ষে ৩১ আগস্ট থেকে দেশগুলোর সঙ্গে পুনরায় বিমান চালুর সিদ্ধান্ত নেয় দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
যদিও শর্তে বলা হয়, ইতালি প্রবেশের পূর্বে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করতে হবে পিসিআর টেস্ট। এ ছাড়া প্রবেশ করে ১০ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।
ইতালি সরকারের এমন ঘোষণায় খুশি হয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। একই সঙ্গে বাংলাদেশ আটকেপড়া, কয়েক হাজার প্রবাসীর ইতালি ফিরতে আর কোনো বাধাই রইল না।
গত বছর নভেম্বর এবং ডিসেম্বরে বাংলাদেশে পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটাতে গিয়ে দীর্ঘ বিড়ম্বনায় পড়েন প্রবাসীরা।
চলতি বছরের প্রথম দিকে ইতালির করোনা পরিস্থিতি খারাপ থাকায়, ওই সময় বাংলাদেশ সরকার দেশটির সঙ্গে সব ধরনের যাত্রীবাহী বিমান চলাচল বন্ধ করে দেয়।
পরবর্তীতে উপমহাদেশে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ বেড়ে গেলে বাংলাদেশের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে ইতালি।

প্রবাসখবর.কম/বি

 

প্রবাস খবর
এই বিভাগের আরো খবর