বৃহস্পতিবার   ২৬ নভেম্বর ২০২০   অগ্রাহায়ণ ১২ ১৪২৭   ১০ রবিউস সানি ১৪৪২

প্রবাস খবর
সর্বশেষ:
আপনি কি আপনার প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখতে চান? লেখা [email protected] এ পাঠাতে পারেন।
৭১

ক্ষতিপূরণ হিসেবে মালয়েশিয়ার কাছ থেকে সাড়ে ৬ কোটি টাকা আদায়

প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২০  

মালয়েশিয়ার বিভিন্ন কোম্পানি থেকে বাংলাদেশিদের সাড়ে ৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করে কর্মীর পরিবারের কাছে পাঠিয়েছে হাইকমিশন। সক্রিয় আইনি সহায়তায় ২০১৮-১৯ সাল পর্যন্ত ৬ কোটি ৫৭ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮২ টাকার ক্ষতিপূরণ আদায় করতে সক্ষম হয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে আদায় করা হয়েছে ২০ লাখ ২৩ হাজার ৬২ টাকা। আরও ৪৫টি আবেদনের বকেয়া বীমার টাকা আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

৪৫টি আবেদন ছাড়াও মালয়েশিয়া সরকার অনুমোদিত বীমা কোম্পানি সোকসোতে ১২টি আবেদন চলমান রয়েছে। এছাড়া পরবর্তী কার্যক্রমের লক্ষ্যে ২৫০০টি আবেদনের তথ্যাদি প্রেরণের জন্য বাংলাদেশ ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে পাঠানো হয়েছে বলে মিশনের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, দূতাবাস মালয়েশিয়া সরকারের শ্রম দফতর এবং নিয়োগকর্তার কাছে দাবী জানিয়ে চিঠি দেয়া হয়। শ্রম ও সংশ্লিষ্ট অফিস প্রক্রিয়া শুরু করে এবং বাংলাদেশে অবস্থিত ক্ষতিপূরণ প্রত্যাশী ব্যক্তি বা তার পরিবারের তথ্যাদি প্রেরণের জন্য হাইকমিশনে পত্র দিলে হাইকমিশন তা বাংলাদেশে অবস্থিত ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ডে প্রেরণ করে।

এ পর্যায়ে প্রশাসনিক ধীরগতির নানা অভিযোগ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। জানা গেছে, কল্যাণ বোর্ড কাগজপত্র জেলা জনশক্তি অফিসে প্রেরণ করে পরিবারের তথ্য ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আবার ওয়েজ বোর্ডের কাছে পাঠায়। এই কাজটি করার জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয়।

জানা গেছে, দুর্ঘটনা, বকেয়া বেতন, মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ আদায় বাবদ দূতাবাস থেকে পাঠানো চেক বাংলাদেশ থেকে প্রত্যাশিত ব্যক্তিদের কাছে হস্তান্তরে সময় শেষ হয়ে যায়। ফলে চেকটি নগদায়নে সমস্যার সৃষ্টি হয়। চেকটি পুনরায় মালয়েশিয়ায় ফেরত পাঠানো হয় এবং নতুন করে মালয়েশিয়ার শ্রম অফিসের মাধ্যমে পেতে অনেক সময় লাগে। অপেক্ষায় থাকে পুরো পরিবার।

এ অবস্থায় ক্ষতিপূরণপ্রত্যাশীরা একের পর এক দেনার মধ্যে থেকে দিনাতিপাত করছেন। এ বিষয়ে দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনা, মৃত্যু বা বকেয়া বেতন ও শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ আদায়ে আইনি প্রক্রিয়ায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এছাড়া যাদের বৈধ ও কাগজপত্র সঠিক তারাই ক্ষতিপূরণ পাবেন। আর এই ক্ষতিপূরণ আদায়ে দূতাবাস সর্বাত্মক সহযোগিতা করে থাকে।

বাংলাদেশি কর্মীরা ক্ষতিপূরণ পেতে যাতে কোনো হয়রানির শিকার না হয়, তার জন্য সজাগ দৃষ্টি রাখা হয়েছে জানিয়ে শ্রম কাউন্সিলর জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন বীমার আওতায় বিদেশি কর্মীরা নিবন্ধিত হচ্ছেন।’

‘আগে শুধু স্থানীয় নাগরিকরাই এ সুবিধা পেতেন। এখন থেকে বিদেশি কর্মীরাও এই সুবিধা পাবেন। এটি সফল বাস্তবায়ন হলে কর্মীরা আজীবন পেনশন পাবে।’

প্রবাসখবর.কম/এস 

প্রবাস খবর
এই বিভাগের আরো খবর