বৃহস্পতিবার   ০৬ মে ২০২১   বৈশাখ ২৩ ১৪২৮   ২৪ রমজান ১৪৪২

প্রবাস খবর
সর্বশেষ:
আপনি কি আপনার প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখতে চান? লেখা [email protected] এ পাঠাতে পারেন।
৬৩৮

কলঙ্ক ঢাকতে ইস্তাম্বুলের ‘খুনি ভবন’ বেঁচে দিয়েছে সৌদি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

তুরস্কের বাণিজ্য নগরী ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে হত্যা করা হয়েছিল ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে। বিষয়টি ধামাচাপ দেওয়ার হাজারো কায়দা-কৌশলের পরও ব্যর্থ হয় সৌদি কর্তৃপক্ষ। নানাভাবে প্রমাণ হয়েছে সেখানেই র্মিমভাবে হত্যা ও কেটে টুকরো টুকরো করা হয় খাশোগিকে। সেই কলঙ্কজর্জরিত বাড়িটি এবার বিক্রিই করে দিয়েছে সৌদি শাসক কর্তৃপক্ষ।

তুর্কি টিভি চ্যানেল হ্যাবার তার্ক ইস্তাম্বুলে সৌদি আরবের কনস্যুলেট বিক্রিসংক্রান্ত এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের বরাতে আল-জাজিরা এ সংবাদ দিয়েছে। যদিও হ্যাবারতার্ক টিভি তাদের প্রতিবেদনে ভবন বিক্রির কোনো তথ্যসূত্র উল্লেখ করেনি। তবে হ্যবার তার্ক

বলেছে,  সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘গোপনে ও দ্রুত’ ওই ভবন বিক্রি করে দিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এক মাসেরও বেশি আগে ওই ভবনটি বাজারমূল্যের এক-তৃতীয়াংশেরও কম দামে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

৫৯ বছর বয়সী খাসোগি গত বছরের ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলে অবস্থিত সৌদি কনস্যুলেটে গিয়েছিলেন নাগরিকত্ব সংক্রান্ত কাগজপত্র ইস্যু করাতে। এসময় কিছুটা দূরে অপেক্ষমান ছিলেন তারা বাগদত্তা। 

এদিকে, হ্যাবারতার্ক টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, তুরস্কের লেভেন্ট এলাকার সৌদি কনস্যুলেটের ওই ভবন এমন এক ক্রেতার কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে যার পরিচয় সনাক্ত করা যায়নি। একদিকে ওই ‘খুনি ভবন’ বিক্রি করেছে সৌদি আরব অপরদিকে তুরস্কের সারিয়ের অঞ্চলে নয়া পরবির্তী কনস্যুলেটের জন্য একটি নয়া ভবনও কিনে ফেলে। সারিয়ের তরুস্কের একটি জেলা শহর যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কনস্যুলেট রয়েছে।
অপরদিকে, মিডল ইস্ট আইকে তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সৌদি কনস্যুলেটের ওই ভবন বিক্রির কোনো নিশ্চিত তথ্য তাঁদের কাছে নেই।

৫৯ বছর বয়সী খাসোগি গত বছরের ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে নিজের বিয়ে সংক্রান্ত কাগজপত্র ইস্যু করার জন্য প্রবেশ করেন। সেখানে তাঁকে হত্যা করা হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছিল, জামাল খাসোগিকে সেখানে প্রবেশের সাত মিনিটেই হত্যা করা হয়। হত্যার আগে নির্যাতনও করা হয়েছে তাকে। পরে একজন সৌদি ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের নেতৃত্বে মৃতদেহ ইলেক্ট্রিক করাত দিয়ে টুকরো টুকরো করে কাটা হয়। এরপর টুকরোগুলো অ্যাসিড দিয়ে গলিয়ে ফেলা হয়। এ জন্য খাসোগির মৃতদেহ কখনো আর পাওয়া যায়নি। কোনো কোনো গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হত্যার পর সাংবাদিক জামাল খাসোগির একটি আঙুল সৌদি আরবে নিয়ে যায় কিলার টিমের সদস্যরা। সংবাদ সূত্রে জানা যায়, হত্যা মিশন সফল হয়েছে তার প্রমাণ স্বরূপ এমন করতে আদেশ দিয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

প্রবাসখবর.কম/এসএম

প্রবাস খবর
এই বিভাগের আরো খবর