সোমবার   ২৫ অক্টোবর ২০২১   কার্তিক ৯ ১৪২৮   ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

প্রবাস খবর
সর্বশেষ:
আপনি কি আপনার প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখতে চান? লেখা [email protected] এ পাঠাতে পারেন।
৪০

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা চালু

প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১  

ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসীদের চাহিদা পূরণের জন্য ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) সেবা চালু করেছে।
জানা গেছে। গত শুক্রবার বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলাম এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. মোকাব্বির হোসেন যৌথভাবে ওয়াশিংটন দূতাবাসে এই সেবার উদ্বোধন করেন।
সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. মোকাব্বির হোসেন তার বক্তব্যে আগে প্রচলিত হাতে লেখা এবং মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের কিছু সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে বলেন, নতুন প্রচলিত ই-পাসপোর্ট বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির হওয়ায় এতে জালিয়াতির কোনো সুযোগ নেই। এর ফলে বহির্বিশ্বে এই পাসপোর্টধারীদের মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে।
এদিকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম ই-পাসপোর্ট সেবা চালু করেছে বলে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার ইতোমধ্যেই ঢাকা, সিলেট এবং চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ই-গেট স্থাপন করেছে যা যাত্রীদের ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর করবে
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলাম তার বক্তব্যে ই-পাসপোর্ট সেবা সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বের একক কৃতিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এটি তার ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের আরেকটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আমাদের স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকী এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে ই-পাসপোর্ট প্রবর্তন সারা বিশ্বে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের ভোগান্তি হ্রাস করবে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুসারে, হাতের লেখা থেকে ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট- এই পরিষেবার অগ্রগতিতে স্বল্প সময় লেগেছে। তিনি বাংলাদেশি অভিবাসীদের সর্বোত্তম সেবা প্রদানের জন্য ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এবং বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
এছাড়াও তিনি বিদেশে অবস্থিত সকল মিশনের মধ্যে বাংলাদেশ দূতাবাস, ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রাথমিক পর্যায়ে ই-পাসপোর্ট সেবা চালু করার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সুরক্ষা সেবা এবং ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরকে ধন্যবাদ জানান।
এই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান খান বলেন, ২০২১ সালের ২২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধনের পর ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর ইতিমধ্যে দেশে ১০ লাখ ই-পাসপোর্ট বিতরণ করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২১ সালের জুনের শেষে দেশের সব পাসপোর্ট অফিস ই-পাসপোর্ট সেবার আওতায় আনা হয় এবং বর্তমানে এই সেবাটি বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে সম্প্রসারিত হলো।
সবশেষে দুইজন আবেদনকারীর আবেদনপত্র গ্রহণের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) সেবা আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
উল্লেখ্য, গত ১০ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক কনস্যুলেটে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন করা হয়। এছাড়াও বার্লিন এবং এথেন্সে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে ইতোপূর্বে উক্ত সেবা চালু হওয়ার প্রেক্ষিতে চতুর্থতম হিসেবে ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) সেবা চালু হলো।

প্রবাসখবর.কম/বি

প্রবাস খবর
এই বিভাগের আরো খবর