বুধবার   ১৯ জানুয়ারি ২০২২   মাঘ ৬ ১৪২৮   ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

প্রবাস খবর
সর্বশেষ:
আপনি কি আপনার প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখতে চান? লেখা [email protected] এ পাঠাতে পারেন।
৯১

আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেশি-বিদেশি যাত্রীদের মাথায় লাগেজ

প্রকাশিত: ২ জানুয়ারি ২০২২  

সীমাহীন দুর্ভোগ মাথায় নিয়েই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করছেন দেশি বিদেশি যাত্রীরা। নামে আন্তর্জাতিক কিন্তু সেবা পেতে বেসামাল অবস্থা। ট্রলি ছাড়াই কেউ টানছেন লাগেজ আবার কেউ তুলছেন মাথায়।
দীর্ঘ যাত্রার পর বিমান থেকে নেমেই হেলথ ডেস্ক আর ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতার পর লাগেজ পেতেও কেটে যায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা।
এদিকে বন্দরের পরিস্থিতি দেখতে আসায় বিমান প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী সাংবাদিকদের বলেন, রাতারাতিই পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব নয়।
মোবাইল ফোনে ধারণ করা এক চিত্রে দেখা যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হেলথ ডেস্কের সামনে যাত্রীদের ভিড়। সেখানে দেখা মেলে ফ্লাইট থেকে নেমে ইমিগ্রেশনের লাইনে দাঁড়ানোর আগেই যেখানে পার করতে হচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা।
যদিও বিশৃঙ্খলভাবে সবাই একসঙ্গে লাইনে ঢুকে পড়ছে, তা না করে সবাইকে লাইনে দাঁড় করিয়ে দিলে ব্যাগ চেকটা তাড়াতাড়ি হতো বলে জানান এক যাত্রী।
আরেকরজন বলেন, ফরমটা আমরা পূরণ করছি, তারা শুধু এটার ওপর সিল মেরে একটা অংশ ছিড়ে নিচ্ছে, এটা অনলাইনভিত্তিক হতে পারত।   
সুতরাং আগে দর্শনধারী পরে গুণবিচারী এ প্রবাদটি সত্যি হলে প্রথম দেখায় বিমানবন্দরে নেমেই যে কারও বাংলাদেশ সম্পর্কে জন্মাবে নেতিবাচক ধারণা। কলকাতা থেকে ঢাকা উড়ানে সময় লাগে বড়জোর এক ঘণ্টা। কিন্তু ঢাকায় নেমে হেলথ ইমিগ্রেশন ডেস্কের লম্বা লাইন পার হয়ে লাগেজ নিয়ে বিমানবন্দর থেকে বের হতেই সকাল গড়িয়ে বিকেল হয়।
এদিকে এ বিষয়ে বিমানবন্দরে আসা একযাত্রী বলেন, স্ক্যানার বসানো হয়েছে, সেটি দিয়ে লাগেজের ভেতরে দেখা যায় না, তাহলে কেন এটা বসানো হয়েছে। যাত্রী হয়রানি  ছাড়া আর কিছুই না।  
দৈনিক ২৯টি এয়ারলাইনসের প্রায় ১৩০টি ফ্লাইট উঠানামা করে শাহজালালে। এসব ফ্লাইটে যাতায়াত করে ২০ হাজারের বেশি যাত্রী। কিন্তু বিমানবন্দরের সেবা নিয়ে ক্ষোভ প্রায় প্রতিটি যাত্রীর। যদিও, মন্ত্রণালয় বলছে, রাতারাতি বাড়ানো যায় না গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা।
বিমান প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, প্রতিদিন  ২০ হাজার যাত্রী প্রতিদিন আসা-যাওয়া করে। এক সঙ্গে চেক করতে গিয়ে সাময়িক অসুবিধা হচ্ছে। এগুলো দেখার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কিন্তু অ্যাভিয়েশন বিশেষজ্ঞ  কাজী ওয়াহেদুল আলম মনে করেন, আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের অভাব আর সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় দেখা দিয়েছে অচলাবস্থা। বলেন, কোন সময় এয়ারপোর্টের ওপর চাপ থাকবে বা থাকবে না যারা এটার পরিচালনায় আছে তাদের জানার কথা।    
দৈনিক ৮ ঘণ্টা রানওয়ে বন্ধ থাকায় এয়ারলাইনসগুলোকে পুনর্বিন্যাস করতে হয়েছে ফ্লাইটের সময়। শীতকালীন দিনের অল্প সময়ে বাড়তি চাপে শাহজালাল বিমানবন্দর।

প্রবাসখবর.কম/বি

প্রবাস খবর
এই বিভাগের আরো খবর